• বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ০৯:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ড.খলিলুর রহমানের নেতৃত্বে কি খুলবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের দুয়ার? বিদ্যালয় ঝরে পড়া রোধে খাগড়াছড়িতে শিক্ষা সুরক্ষা প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু  মেঘ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে খাগড়াছড়িতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এ ফুটবল-কাবাডির উত্তাপ সংবাদ প্রকাশের পর সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা: নিন্দার ঝড়  নাফ নদী থেকে সাত জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি  খাগড়াছড়িতে জিএসি প্রকল্প পরিদর্শনে ইউএনএফপিএর উচ্চপর্যায়ের মনিটরিং মিশন শিশু শিক্ষার্থীদের চুল কেটে দেওয়া শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে টেকনাফে ট্রলারডুবি ঘটনায় তিন মানবপাচারকারী আটক টেকনাফে শিশুশিক্ষার্থীকে ১৫বার বেত্রাঘাত করে শিক্ষক খাগড়াছড়ির চেঙ্গী নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনে ৩ জনের কারাদণ্ড, যানবাহন জব্দ

নিজের দেশে নয়, শরণার্থী শিবিরে বিষণ্ন ঈদ রোহিঙ্গাদের

মুহাম্মদ ইউনূস অভি, টেকনাফ / ১১২ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময় : শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬

দেশজুড়ে আজ শনিবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হলেও কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরগুলোতে উৎসবের আনন্দের সঙ্গে মিশেছে গভীর বেদনা। নিজ দেশ মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া এসব মানুষ এবারও ঈদ কাটাচ্ছেন অনিশ্চয়তা ও কষ্টের বাস্তবতায়।

শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৮টার পর উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন ক্যাম্পে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নামাজ শেষে শিশুদের মাঝে কিছুটা আনন্দের আভাস থাকলেও বড়দের মুখে ছিল হারানোর বেদনা। রাখাইনে নির্যাতনের স্মৃতি, স্বজনহারা জীবন এবং শরণার্থী হিসেবে টিকে থাকার সংগ্রাম ঈদের আনন্দকে অনেকটাই ম্লান করে দিয়েছে।

জামাত শেষে অনেক ইমাম ও মুসল্লিকে আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়। মোনাজাতে তারা নির্যাতনের বিচার কামনার পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং নিজ দেশে নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসনের জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।

কুতুপালং ক্যাম্পের বাসিন্দা সৈয়দ আলম বলেন, “ঈদ এলেও আগের মতো আনন্দ নেই। নিজের দেশে ঈদ পালন আর এখানে ঈদ করা এক নয়। আগে আমরা পূর্বপুরুষদের কবর জিয়ারত করতাম, এখন সেই সুযোগ নেই—এটাই সবচেয়ে বড় কষ্ট।”

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা দায়িত্বে থাকা ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)-এর অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহমদ জানান, ঈদ উপলক্ষে ক্যাম্পগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবে জামাত সম্পন্ন হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সদস্যরা সর্বক্ষণ কাজ করছেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার পর বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। বর্তমানে উখিয়া ও টেকনাফের ৩২টি শিবিরে প্রায় ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এজাতীয় আরো সংবাদ দেখুন
error: Content is protected !!
https://slotbet.online/
error: Content is protected !!