• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সেন্টমার্টিনে পানিবন্দি পরিবারের পাশে দ্বীপ মানবিক ফাউন্ডেশন বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে উখিয়া উপজেলা‌ প্রশাসন শতাধিক মানুষের চলাচলের দুর্ভোগ দূর করতে রাস্তার জন্য জমি কিনে দিলেন কাসেম সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আব্দুল মন্নান নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে সাবরাং ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আব্দুল মান্নান সামাজিক কর্মকাণ্ডে প্রশংসিত কাশেম, মেম্বার পদে লড়ার প্রস্তুতি ড.খলিলুর রহমানের নেতৃত্বে কি খুলবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের দুয়ার? বিদ্যালয় ঝরে পড়া রোধে খাগড়াছড়িতে শিক্ষা সুরক্ষা প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু  মেঘ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে খাগড়াছড়িতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এ ফুটবল-কাবাডির উত্তাপ সংবাদ প্রকাশের পর সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা: নিন্দার ঝড় 

শিশু শিক্ষার্থীদের চুল কেটে দেওয়া শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে

প্রতিনিধি, টেকনাফ / ২৭৩ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

টেকনাফে শিশু শিক্ষার্থীদের অস্বাভাবিক চুল

কেটে দেওয়া শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার পানখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির অন্তত ১৫ জন শিক্ষার্থীর চুল অস্বাভাবিকভাবে কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

জানা যায়, গত ১৯ এপ্রিল রবিবার দুপুরে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলাকালে শিক্ষিকা তাসনিমা কাঁচি দিয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থীর মাথার চুল কেটে দেন। বিষয়টি জানাজানি হলে অভিভাবকরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তোলেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক জানান, বিদ্যালয়ের বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই নিম্নআয়ের পরিবারের সন্তান। নানা কারণে সময়মতো চুল কাটা সম্ভব না হলেও, এভাবে শিশুদের চুল কেটে দেওয়া অমানবিক। তিনি বলেন, “শিক্ষিকার ব্যক্তিগত অপছন্দের কারণে এমনটি করা হয়ে থাকতে পারে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”

অভিভাবক ফরিদ আলম বলেন, “দুই দিন আগেই ছেলের চুল কেটে দিয়েছি। তারপরও কোনো কারণ ছাড়াই আবার কেটে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু যেভাবে কাটা হয়েছে, তা একেবারেই অস্বাভাবিক।”

অভিযোগের বিষয়ে শিক্ষিকা তাসনিমা বলেন, শিক্ষার্থীদের চুল বড় হয়ে যাওয়ায় বারবার কাটতে বলা হলেও তারা তা মানেনি। এজন্য তিনি মাথায় সামান্য করে কাঁচি চালিয়েছেন, যাতে তারা বাড়িতে গিয়ে চুল কাটে। তবে তিনি এটিকে ভুল বোঝাবুঝি বলে উল্লেখ করেন।

এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভীতি ও মানসিক অস্বস্তি দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন অভিভাবকরা। কয়েকজন শিক্ষার্থী এ ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে বলেও জানা গেছে।

অভিভাবক কামরুল ইসলাম বলেন, “এটি কোনো শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নয়, বরং অযৌক্তিক আচরণ। এতে শিশুদের মানসিক ক্ষতি হয়েছে।”

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ মাহমুদুর রহমান বলেন, “ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ শাহিন মিয়া বলেন, এ শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়েছি। যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান আরজু বলেন, “শিক্ষার্থীদের চুল কাটা শিক্ষকের দায়িত্ব নয়। আমি এ শিক্ষিকার বিরুদ্ধে উর্দ্ধতন কর্মকর্তা বরাবর চিঠি দিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এজাতীয় আরো সংবাদ দেখুন
error: Content is protected !!
https://slotbet.online/
error: Content is protected !!