কক্সবাজার টেকনাফে সাবরাং নয়াপাড়া ও শাহপরীরদ্বীপ নাফ নদীর অদূরে মিয়ানমারের আরকান আর্মি দুই ডিঙি নৌকাসহ সাত মাঝিমাল্লাকে ধরে নিয়ে গেছে ।আজ বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটার দিকে তাদের ধরে নিয়ে নাফ নদীর মোহনা থেকে।
আব্দুর রহমান পিতা মৃত লাল মিয়া,গ্রাম ঘোলার পাড়া ৬নং ওয়ার্ড আব্দুল মতলব পিতা নুরুল ইসলাম গ্রাম নোয়া পাড়া ৬ নং ওয়ার্ড।গুরা মিয়া পিতা মকবুল আহমেদ গ্রাম নোয়া পাড়া ৬ নং ওয়ার্ড ইউনিয়ন,হাসান পিতা আব্দুল সালাম গ্রাম ঐ
ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেরা হলেন, সাবরাং নয়া পাড়ার মৃত লাল মিয়ার ছেলে আব্দুর রহমান , নুরুল ইসলামের ছেলে আবদুল মতলব,মকবুল আহমেদের ছেলে গুরা মিয়া, আব্দুস সালামের ছেলে মোঃ হাসান ও শাহপরীরদ্বীপ ডেইল পাড়ার – আহমদ আলী, নুরুল আবসার ও আবদুর রহিম।
এসব তথ্য স্বীকার টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য আবুল ফয়েজ বলেন, ‘আমার এলাকায় পাচঁ জেলে ও শাহপরীরদ্বীপের তিন জেলেকে নাফনদীতে মাছ ধরতে গেলে তাদের ধরে নিয়ে যায় মিয়ানমার আরকান বাহিনী। তারা আজ সকাল সাতটায় নাফ নদীতে মাছ শিকারে যায়। দুপুর দুইটার দিকে মাছ শিকার করে ফিরে আসার সময় তাদের ধরে নিয়ে যায়।
ধরে নিয়ে যাওয়া জেলে আহমদ আলীর স্ত্রী মুন্নি আক্তার বিলাপ করে বলেন , আমার স্বামীসস তিন জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি। আমরা খুবই গরবি মাছ শিকারে গেলে খেতে পারি নাইলে পারি না। এখন যদি আমার স্বামী ফেরত না আসে আমাদের না খেয়ে মরতে হবে।
নৌকার মালিক আব্দু শুক্কুর বলেন, আমার মালিকানাধীন নৌকা নিয়ে চারজন জেলে আজ মাছ শিকারে যায় নাফ নদীতে।ফিরে আসার সময় আরাকান আর্মি তাদের ধরে নিয়ে যায়।তারা খুবই গরিব জেলে। এখন আমার দাবি যেন তাদের দ্রুত ফেরত আনা হয়।
এ বিষয়ে টেকনাফ ২ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল হানিফুর রহমান ভূঁইয়া জানান, ‘ জেলে ধরে নিয়ে গেছে আমি শুনেছি। সেখানকার বিওপি কমান্ডার কে বলেছি বিস্তারিত জেনে আমাকে জানাতে।পরে তাদের ফেরত আনার জন্য কার্যক্রম শুরু করা যাবে।
টেকনাফের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমামুল হাফিজ বলেন,জেলেদের ধরে নিয়ে যাওয়ার খবর পেয়েছি। এ বিষয়ে তাদের ফেরত আনতে কোস্ট গার্ড ও বিজিবি সঙ্গে কথা হচ্ছে।
https://slotbet.online/