• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সেন্টমার্টিনে পানিবন্দি পরিবারের পাশে দ্বীপ মানবিক ফাউন্ডেশন বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে উখিয়া উপজেলা‌ প্রশাসন শতাধিক মানুষের চলাচলের দুর্ভোগ দূর করতে রাস্তার জন্য জমি কিনে দিলেন কাসেম সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আব্দুল মন্নান নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে সাবরাং ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আব্দুল মান্নান সামাজিক কর্মকাণ্ডে প্রশংসিত কাশেম, মেম্বার পদে লড়ার প্রস্তুতি ড.খলিলুর রহমানের নেতৃত্বে কি খুলবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের দুয়ার? বিদ্যালয় ঝরে পড়া রোধে খাগড়াছড়িতে শিক্ষা সুরক্ষা প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু  মেঘ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে খাগড়াছড়িতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এ ফুটবল-কাবাডির উত্তাপ সংবাদ প্রকাশের পর সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা: নিন্দার ঝড় 

টেকনাফে শিশুশিক্ষার্থীকে ১৫বার বেত্রাঘাত করে শিক্ষক

টেকনাফ (কক্সবাজার)প্রতিনিধি / ১৬০ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময় : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬

সুষ্ঠু বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি পরিবারের

কক্সবাজারের টেকনাফে বাড়ির কাজ জমা না দেওয়ায় পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ১৫ বার বেত্রাঘাত করার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আহত শিক্ষার্থী বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

এ ঘটনায় সোমবার (২০ এপ্রিল ) সকালে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরবার একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই শিক্ষার্থীর মা নাজমা বেগম।

অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের নাম আশিষ মল্লিক । তিনি টেকনাফ হ্নীলা পানখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।

জানা যায়, (১৯ এপ্রিল ) রবিবার দুপুর দুইটা হ্নীলা পানখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আশিষ মল্লিক শ্রেণিকক্ষে বাড়ির কাজ না করার কারণে শিক্ষার্থী মাহমুদুর রহমানকে একাধিকবার বেত্রাঘাত করেন। একপর্যায়ে অতিরিক্ত মারধর সহ্য করতে না পেরে শিক্ষার্থী বাড়িতে ফিরে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিশুটির শরীরজুড়ে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।

শিক্ষার্থীর মা নাজমা বেগম বলেন, তার ছেলে মারধরের কারণে তীব্র ব্যথায় ভুগছে এবং ঠিকমতো হাঁটতেও পারছে না। তিনি এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এবং দোষীর শাস্তি দাবি করেছেন।

শিশুটির নানা ছৈয়দ আলম বলেন, একজন শিক্ষক এমন আচরণ করতে পারেন না। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

অভিযুক্ত শিক্ষক আশিষ মল্লিক অভিযোগের বিষয়টি আংশিক স্বীকার করে বলেন, এটি ভুল বোঝাবুঝি। তিনি বিষয়টি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের কথা জানিয়েছেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।

কক্সবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহীন মিয়া বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি অমানবিক বলে প্রতীয়মান হয়েছে। ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এজাতীয় আরো সংবাদ দেখুন
error: Content is protected !!
https://slotbet.online/
error: Content is protected !!