সাংগ্রাইয়ে সম্প্রীতির সুর
মহা সাংগ্রাই উৎসবকে ঘিরে খাগড়াছড়িতে আয়োজন করা হয়েছে এক ব্যতিক্রমী ও বর্ণাঢ্য ওপেন কনসার্ট, যেখানে মিলেছে পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর হৃদয়ের বন্ধন। সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দিতে আয়োজিত এ বিশেষ অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় এক অনন্য সম্প্রীতির মিলনমেলায়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কে এম ওবায়দুল হক। তার উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে আরও মর্যাদাপূর্ণ করে তোলে।
সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে মঞ্চজুড়ে শুরু হয় মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা। বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর শিল্পীরা নৃত্য, গান ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় তুলে ধরেন নিজ নিজ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সৌন্দর্য। রঙিন পোশাক, তাল-লয়ের মূর্ছনা আর প্রাণবন্ত পরিবেশনায় মুগ্ধ হয়ে ওঠেন উপস্থিত দর্শকরা। প্রতিটি পরিবেশনায় ফুটে ওঠে পাহাড়ি-বাঙালি সংস্কৃতির বৈচিত্র্য ও ঐক্যের অপূর্ব সমন্বয়।
এই আয়োজনে পাহাড়ি ও বাঙালি উভয় সম্প্রদায়ের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানটিকে করে তোলে আরও প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর। একসাথে গান, নাচ আর উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠা মানুষ যেন নতুন করে সম্প্রীতির এক শক্ত বার্তা দেয়।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, “পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমেই একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।” তিনি আরও বলেন, এই ধরনের আয়োজনই বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিশ্বাস ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করে। সকলকে সম্প্রীতির এই বন্ধন অটুট রাখতে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানটি স্থানীয় জনগণের মাঝে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতেও পাহাড়ি ও বাঙালি জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে এবং খাগড়াছড়িকে সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরবে।
https://slotbet.online/