• বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ০৯:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ড.খলিলুর রহমানের নেতৃত্বে কি খুলবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের দুয়ার? বিদ্যালয় ঝরে পড়া রোধে খাগড়াছড়িতে শিক্ষা সুরক্ষা প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু  মেঘ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে খাগড়াছড়িতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এ ফুটবল-কাবাডির উত্তাপ সংবাদ প্রকাশের পর সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা: নিন্দার ঝড়  নাফ নদী থেকে সাত জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি  খাগড়াছড়িতে জিএসি প্রকল্প পরিদর্শনে ইউএনএফপিএর উচ্চপর্যায়ের মনিটরিং মিশন শিশু শিক্ষার্থীদের চুল কেটে দেওয়া শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে টেকনাফে ট্রলারডুবি ঘটনায় তিন মানবপাচারকারী আটক টেকনাফে শিশুশিক্ষার্থীকে ১৫বার বেত্রাঘাত করে শিক্ষক খাগড়াছড়ির চেঙ্গী নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনে ৩ জনের কারাদণ্ড, যানবাহন জব্দ

নৌকাসহ ১৩ জেলে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি

প্রতিনিধি,টেকনাফ / ১০৪ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময় : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীর মোহনা এলাকায় ফের জেলেদের ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সদস্যরা তিনটি মাছ ধরার ট্রলারসহ ১৩ জন জেলেকে আটক করেছে বলে জানা গেছে।
আজ শনিবার সকালে সাগরে মাছ ধরা শেষে টেকনাফে ফেরার পথে শাহপরীর দ্বীপের নাইক্ষ্যংদিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আটক হওয়া ট্রলারগুলোর মালিক মো. কালু ওরফে মালা হালু, মো. মুস্তাফিজ এবং মীর কাশিম—তিনজনই শাহপরীর দ্বীপের বাসিন্দা।
ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেদের মধ্যে রয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান (৪০), ফরিদ হোসেন (৩০), রবিউল হাসান (১৭), কালাম (৩০), হোসেন আহমদ (৩৮), মীর কাশেম আলী (৪০), গিয়াস উদ্দিন, সালাউদ্দিন (১৮), মহিউদ্দিন (২২), মলা কালু মিয়া (৫৫), আবু তাহের (৪০), আবদুল খালেক এবং জাবের মিয়া (২৪)। তারা সবাই টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ এলাকার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমামুল হাফিজ নাদিম জানিয়েছেন, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে জেলেদের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা এনায়েত উল্লাহ বলেন, সাম্প্রতিক এ ঘটনায় জেলেদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেক পরিবার তাদের স্বজনদের নিয়ে উদ্বেগে রয়েছে।
একই তথ্য নিশ্চিত করে শাহপরীর দ্বীপের ইউপি সদস্য আবদুস সালাম জানান, ঘটনাটি প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে এবং এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তিতে জেলে পল্লীতে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় জেলেদের দাবি, গত দুই বছরে আরাকান আর্মি বিভিন্ন সময়ে প্রায় ৫০০ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে। তাদের মধ্যে প্রায় ৩০০ জনকে পরে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। সর্বশেষ গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ৭৩ জন জেলে মুক্তি পান। তবে এখনও প্রায় ২০০ জন জেলে তাদের হেফাজতে রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এজাতীয় আরো সংবাদ দেখুন
error: Content is protected !!
https://slotbet.online/
error: Content is protected !!